স্বাগতম সোনার বাংলা ডিগ্রী কলেজ

MD. MIJANUR RAHMANমনজুয়ারা খাতুন
অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)

বর্তমান যুগ বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির যুগ। প্রায় আড়াইশ শতাব্দী আগে শিল্প বিপ্লবের কারনে সভ্যতার গতি প্রকৃতি পরিবর্তিত হয়েছিল। একুশ শতকে তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লবের ভেতর দিয়ে আবার সেই গতি প্রকৃতির পরিবর্তিত হচ্ছে। আমাদের সমাজের সাধারণ মানুষের জীবনে প্রায় সকল ক্ষেত্রেই প্রযুক্তি ও তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ হয়ে পড়েছে একান্ত অপরিহার্য। সর্ব ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির উপর জোর দেওয়া, তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার সর্বত্র হওয়া প্রয়োজন। সোনার বাংলা ডিগ্রী কলেজ সে লক্ষ্যে তাদের নিজস্ব ডাইনামিক ওয়েবসাইট চালু করতে যাচ্ছে। যাতে এই কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রীবৃন্দ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া এবং অগ্রসরমান জাতি হিসাবে অধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে।

প্রতিষ্ঠনের ইতিহাস

এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় ১৯৯৭ সালে তদানিন-ন স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ কামাল বখত মহোদয় ভিত্তি প্রস-র সস্থাপনের মাধ্যমে কলেজটি যাত্রা শুরু করে । কলেজ প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম হলেন- শ্রদ্ধেয় ইমান আলী শেখ, খান মীজানুল ইসলাম সেলিম, প্রফেসর মো: নজরুল ইসলাম, মো: আব্দুর রাজ্জাক, এস.এম, শহিদুল ইসলাম, আলহাজ্ব নূরুল হক সরদার, মাস্টার মতিয়ার রহমান, মো: শাহাজান আলী, শ্রী গোবিন্দ ব্যানার্জী, করিম বক্স গাজী, মো: দাউদ আলী, মাও: রেজাউল করিম, অধ্যাপক নূরুল ইসলাম প্রমুখ উলেস্নখযোগ্য। তাছাড়া সকল শ্রেণী পেশার মানুষ কলেজ প্রতিষ্ঠায় দলমত নির্বিশেষে এগিয়ে এসেছে। কলেজটি ২০০২ সালে সফল পরিদর্শনের মাধ্যমে যশোর শিক্ষাবোর্ডের তদানিন-ন কলেজ পরিদর্শক মো: মাকসুদুর রহমান সাহেবের সুপারিশের আলোকে ২০০২ সালে কলেজটি ছাত্রছাত্রী ভর্তির অনুমতি পায়। অত:পর প্রশাসনের সহযোগিতায় ২০০৩ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি, ২০০৪ সালে এম.পি.ও ভুক্তি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে (বি.এম) কোর্স অনুমতি, ২০০৭ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রী অধিভুক্তি লাভ করে। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মাচারীদের ঐকানি-ক প্রচেষ্টায় বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাতের পরও সোনার বাংলা ডিগ্রী কলেজটি স্বমহিমায় প্রজ্জ্বলিত।